ফ্রিল্যান্সিংও একটা কর্মসংস্থান : প্রধানমন্ত্রী
ফ্রিল্যান্সিং-কে কর্মসংস্থান হিসেবে অখ্যায়িত করে দেশজুড়ে বিস্তৃত দুই হাজার ৮০০ ডিজিটাল সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যুবকদের উদ্যোক্তা হতে আহ্বান জিানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০১৯’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, শুধু চাকরি করলেই ইনকাম করা হয় আর ফ্রিল্যান্সিং করলে ইনকাম করা হয় না, এই চিন্তা-চেতনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে। একজন যুবক ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে ৩-৪ লাখ টাকা ইনকাম করলে সেটাও একটা কর্মসংস্থান, এটাই ধরে নিতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষের লক্ষ্য সারাদেশে কেউ বেকার থাকবে না। যুবকরাই হবে বাংলাদেশের কর্ণধার। যুবকরা আত্মকর্মী হলে আগামীতে বাংলাদেশে কেউ বেকার থাকবে না। আজ যে ২৭ জন যুবককে পুরস্কার দিলাম, তারা সবাই অনেকের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। যুবসমাজের চিন্তা থাকতে হবে চাকরি করব না, চাকরি দেব।
সারাদেশে দুই হাজার ৮০০ ডিজিটাল সেন্টার করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব ডিজিটাল সেন্টার থেকে তরুণ ও যুবকরা ট্রেনিং নিয়ে নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং আত্মকর্মী হয়ে উঠছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক করেছি। যেখান থেকে তারা বিনা জামানতে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত লোন নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যুব উন্নয়ন অধিদফতরের অধীনে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যুবকদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শুধু যুব উন্নয়ন নয়, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অধীনেও যুবকদের ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে।
বক্তব্যে ক্লাস সিক্স থেকে শিক্ষার্থীদের পছন্দের যে কোন একট বিষয়ে প্রশিক্ষিত করে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আখতার হোসেন।